নীলফামারীর ডিমলা জেলা পরিষদ স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী আল-আমিন’কে ছু”রিকাঘাত ও হত্যার চেষ্টা, সন্ত্রাসী নাসিম ও তার সহযোগীদের গ্রেফতার ও বিচারে দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে স্থানীয় ছাত্র-জনতা।
রবিবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বিজয় চত্বরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হয়।
জানা যায়, বার্ষিক পরীক্ষা শুরুর প্রায় ৩০–৪০ মিনিট আগে তৃতীয় তলায় বেঞ্চে বসা নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এ সময় নাসিম আল আমিনকে প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে বলে, “আমি যদি তোকে এখনই আক্রমণ করি, এখানে তোকে রক্ষা করার কেউ আছে?”
হুমকি দেওয়ার পর নাসিম নিচে নেমে গেলেও কিছুক্ষণ পর পকেট থেকে ছুরি বের করে আবার তৃতীয় তলায় উঠে আসে এবং উপস্থিত শিক্ষার্থীদের তাড়া করতে থাকে। আল আমিন কক্ষের এক কোণে লুকানোর চেষ্টা করলে নাসিম তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে। পরে কয়েকজন ছাত্র স্কুল ব্যাগ দিয়ে প্রতিরোধ করে তাকে ধরে অফিস কক্ষে নিয়ে যায়।
গুরুতর আহত অবস্থায় আল আমিনকে দ্রুত ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রমেক) রেফার করেন। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, তার ফুসফুসে আঘাত লেগেছে এবং তিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। গত রাতে তার অপারেশন সম্পন্ন হলেও তিনি এখনো অচেতন রয়েছেন।
এদিকে, অফিস কক্ষে আটকের পর ডিমলা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য রাব্বি ও সেলিম ইসলাম নাসিম হোসেনকে বের করে নিয়ে পালাতে সহায়তা করে—এমন অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে।
আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে সন্ত্রসী ও সহযোগিদের গ্রেফতারের দাবীতে জানান বিক্ষোভকারীরা।

0 মন্তব্যসমূহ