গতকাল ৩০ জুলাই বুধবার পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলা য় ঘটে যাওয়া সুলতানা আক্তার রত্না (২০) হত্যার রহস্য ২৪ ঘন্টার মধ্যেই উদঘাটন করেছে দেবীগঞ্জ থানা পুলিশ।
রত্না হত্যায় জড়িত সন্দেহে তার প্রেমিক মহাদেব রায় (৩০) কে আজ দুপুরে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে দেবীগঞ্জ থানা পুলিশ। পরবর্তীতে মহাদেব রায়কে থানা হেফাজতে এনে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে মহাদেব নিহত রত্না (২০) হত্যার দায় স্বীকার করে এবং বিজ্ঞ আদালতে স্বেচ্ছায় জবানবন্দি প্রদানে ইচ্ছা পোষণ করেন।
পরে আজ মহাদেব রায়কে বিজ্ঞ আদালতে তোলা হলে সে আদালতে নিজের অপরাধ স্বীকার করে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।
জানা যায়, গ্রেফতারকৃত মহাদেব রায় এর সাথে নিহত সুলতানা আক্তার রত্নার দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং আসামী মহাদেব রায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে রত্নার সাথে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কও করে।
একপর্যায়ে মহাদেব রায় এর পরিবার তার অন্যত্র বিয়ে ঠিক করে। পরে সুলতানা আক্তার রত্না প্রেমিকার অন্যত্র বিয়ের বিষয়টি জানতে পেরে তাকে পালিয়ে গিয়ে বিয়ের জন্য মহাদেব কে পীড়াপীড়ি করে। ঘটনার দিন ৩০ জুলাই বুধবার মহাদেব রায় রত্না কে নিয়ে অন্যত্র পালিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ঘটনাস্থলে ডেকে আনে।
পরে ঘটনাস্থলে রত্না উপস্থিত হলে তাদের মধ্যে পালিয়ে বিয়ে করার বিষয়ে কথা কাটাকাটি ও ঝগড়া হয়। ঝগড়ার একপর্যায়ে আসামী মহাদেব রায় রেগে প্রেমিকা সুলতানা আক্তার রত্নাকে তার পরনে থাকা উড়না গলায় পেঁচিয়ে নৃশংসভাবে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে এবং মরদেহ ধানক্ষেতে ফেলে রেখে যায় বলে স্বীকার করে।

0 মন্তব্যসমূহ