দেই মাত্র।
অভিযুক্ত পাটগ্রাম পৌরসভার নিকাহ রেজিস্ট্রার কাজী ইউনুস আলীর সাথে তার ব্যবহৃত মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
বৈঠকে উপস্থিত পাটগ্রাম পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তফা সানাউজ্জামান ওপেল বলেন, জনতার কাছে আটকরা জালিয়াতির বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তবে অভিযুক্ত কাজী ইউনুস আলী আত্মগোপনে থাকায় সমাধান করা সম্ভব হয়নি। ইতিপূর্বেও দেনমোহর জালিয়াতিসহ নানান নারী কেলেঙ্কারিতে জর্জরিত ইউনুস আলীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
পাটগ্রাম থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, স্থানীয়দের মোবাইলে দেনমোহরনা জালিয়াতি ও আটকদের বিষয়টি জেনেছি। তবে এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 মন্তব্যসমূহ