শ্রেণিকক্ষে পাঠদান বন্ধ রেখে এক শিশু শিক্ষার্থীকে দিয়ে শরীর ম্যাসাজ করিয়ে নেয় একজন সহকারী শিক্ষিকা। ঘটনাটি নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার খালিশা চাপানী ইউনিয়নের চারঘরি চাপানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। তবে ওই শিক্ষিকার নাম জানা যায়নি। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, বিদ্যালয়টির অফিস কক্ষে এক শিক্ষিকা শুয়ে আছেন এবং শিক্ষার্থী তাঁর পায়ের ওপর দাঁড়িয়ে ম্যাসাজ করছেন। সেখানেই একটি টেবিলে আরেকজন শিক্ষিকাকে মোবাইল ফোনে মগ্ন থাকতে এবং অপর এক শিক্ষিকাকে চেয়ারে পা তুলে বসে থাকতে দেখা যায়। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের পর তা ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় কয়েকজন অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ক্লাসের সময় শিক্ষকেরা যদি অফিস কক্ষে এসব করেন, তাহলে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হয়। তাঁরা এ ধরনের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন।
ডিমলা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বীরেন্দ্র নাথ রায় বলেন, এ ঘটনায় ইতিমধ্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর দোষী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, ‘ভিডিওটি আমি দেখেছি। তবে এটি সাম্প্রতিক সময়ের নয়, ১০ থেকে ১৫ দিন আগের ঘটনা। ঘটনাটি জানার পরপরই আমরা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের মাধ্যমে তদন্ত শুরু করেছি এবং সংশ্লিষ্টদের কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।’

0 মন্তব্যসমূহ